ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||  ফাল্গুন ১৬ ১৪৩০

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী মার্কিন সিনেটর নিজেই ধরা খেলেন!

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৭, ১ অক্টোবর ২০২৩  

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী মার্কিন সিনেটর নিজেই ধরা খেলেন!

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী মার্কিন সিনেটর নিজেই ধরা খেলেন!

আপাদমস্তক একজন প্রতারক হলো বিএনপির লবিস্ট।২০২০ সালে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এলিট বাহিনী র‌্যাবের ৭ কর্মকর্তার নামে স্যাংশন দেয় মার্কিন প্রশাসন।

সেই স্যাংশনে র‌্যাবের বিরুদ্ধে নানারকম অ-প্রমাণিত অভিযোগ উত্থাপন করে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছিলেন, তিনি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের সিনেটর বব মেনেনডেজ। এবার সেই সিনেটর নিজেই গুরুতর কয়েকটি দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হলেন।

মিশরীয় ব্যাবসায়ীর মাধ্যমে সে দেশের সেনাবাহিনীর কাছে অস্ত্র ও মার্কিন দূতাবাস সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন তথ্য লেনদেন, নিজ স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের বিচারিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে নিজের পছন্দের আইনজীবীকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগের সুপারিশসহ বিধিবহির্ভূত বিপুল আর্থিক লেনদেন এবং সোনার কয়েনসহ বিলাসবহুল গাড়ি উৎকোচ হিসেবে গ্রহণের তথ্য-প্রমাণ মিলেছে সিনেটর বব মেনেনডেজের বিরুদ্ধে।

এসব ঘটনায় প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সংস্থা র‌্যাবের বিরুদ্ধে স্যাংশন ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘুষখোর সিনেটর মেনেনডেজ মার্কিন লবিস্ট ফার্মগুলোর মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়েই এই সাংশান করিয়েছেন। তা এই সিনেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর নমুনা দেখলে ১০০% নিশ্চিত হওয়া যায়। এভাবে মার্কিন প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ সিনেটর ও প্রাশাসনিক কর্মকর্তাদেরকে ব্যবহার করছে লবিস্ট ফার্মগুলো।

এসব লবিস্ট ফার্মে যে কেউ চাহিদা মোতাবেক খরচ করলে যে কোনো দেশের স্বার্থবিরোধী কাজ করিয়ে নেয়া সম্ভব। কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ অনেক কিছুই করানো সম্ভব। শুধু টাকার অঙ্কটা হতে হবে তাদের চাহিদা অনুসারে। তাহলে সিনেটররা যে কোনো বিবৃতি বা সুপারিশে সই করতে দ্বিধা করেন না।

উল্লেখ্য, এর আগে পদ্মাসেতু প্রকল্পে অর্থ ছাড় করার আগেই আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়া বিশ্বব্যাংক। পরে কানাডার আদালতে সেসব দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক বলে প্রমাণিত হয়। মজার ব্যাপার হলো, বিশ্বব্যাংকের যে কর্মকর্তারা পদ্মাসেতু প্রকল্পে সেই মনগড়া দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তকারী হিসেবে কাজ করছিলেন, তাদের অন্যতম ছিলেন বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সদস্য- ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের চিফ প্রসিকিউটর লুই মোরানো ওকাম্পো। যিনি পরবর্তীতে নিজেই দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।এভাবেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়