ঢাকা, রোববার   ২৮ নভেম্বর ২০২১ ||  অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৮

চলতি অর্থবছরে প্রথম তিন মাসে ৫২১০ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৪৬, ২৫ অক্টোবর ২০২১  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকগুলো ৫ হাজার ২১০ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি। টাকার অংকে যার পরিমাণ ৫২৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রথম তিন মাসে কৃষি ও পল্লীঋণ খাতে ব্যাংকগুলো ৪ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা বিতরণ করেছিলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলো কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বিতরণ হওয়ায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দেয়। জুলাই ও আগস্ট মাসে কৃষিঋণ বিতরণে ২১ শতাংশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি ছিলো।

ব্যাংকগুলো জুলাই মাসে ৯৪২ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করে। আর আগস্ট মাসে বিতরণের পরিমাণ ছিলো ১ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা। সব মিলে ব্যাংকগুলো তিন মাসে ৫ হাজার ২১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করে। যা বার্ষিক বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ১৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

২০২১-২২ অর্থবছরে ২৮ হাজার ৩৯১ কোটি টাকার ঋণ কৃষিখাতে বিতরণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৬ হাজার ২৯২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। ব্যাংকগুলো ওই অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৯৭ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে সক্ষম হয়।

অর্থাৎ ব্যাংকগুলো ২৫ হাজার ৫১১ কোটি টাকা বিতরণ করতে সক্ষম হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরেও কৃষিঋণ বিতরণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয় ব্যাংক। ২০২১-২২ অর্থবছরের আলোচিত জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বরে কৃষিঋণ ৫ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা আদায় হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে কৃষিঋণ আদায় হয়েছিল ৬ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, গত এপ্রিলে কৃষি খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্যাকেজের আওতায় গত ৩০ জুন পর্যন্ত পোলট্রি, ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ, হর্টিকালচার, ফুল, ফল, মৎস্যখাতে ৪ হাজার ২৯৫ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ায় গত সেপ্টেম্বরে আরও ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বর্গাচাষিরা জামানত ছাড়াই ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। তহবিলের মেয়াদ হবে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়