ঢাকা, রোববার   ২৮ নভেম্বর ২০২১ ||  অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৮

সিলেট-৩ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন নৌকার প্রার্থী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫৭, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব (নৌকা)। 

শনিবার রাত আটটায় পাওয়া খবরে ৬৫ হাজার ১০১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেন হাবিব। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী হাবিব পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬০৪ ভোট। 

শনিবার রাতে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে হাবিবুর রহমান হাবিবকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এ আসনের তিন উপজেলার মধ্যে দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় নৌকা পেয়েছে ২২ হাজার ৪৬৪ ও লাঙ্গল ৩ হাজার ১২৩, ফেঞ্চুগঞ্জে নৌকা ২২ হাজার ২২৪ ও লাঙ্গল ৪ হাজার ৫৫৬, বালাগঞ্জে নৌকা ২৪ হাজার ২৭৩ ও লাঙ্গল ৩ হাজার ৩৩৭ এবং মোগলাবাজারে নৌকা ২০ হাজার ৭৭৪ ও লাঙ্গল ১৩ হাজার ৫৮৮টি ভোট পেয়েছে। এ আসনের ১৪৯ কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩০৯টি। 

এর আগে শনিবার সকাল আটটায় শুরু হয় সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ। জেলার তিন দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জে একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনের ১৪৯ কেন্দ্রে প্রথমবারের মত একযোগে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতীহীনভাবে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

দুপুরে ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে যান সিলেটের ডিসি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এম কাজী এমদাদুল ইসলাম। দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজারের রেবতী রমণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, আমরা অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছি। কোথাও কোনো গোলযোগ হয়নি। শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। এদিকে জনগণ যে রায় দেবে তা মেনে নেবেন বলে ভোট গ্রহণের শুরুতেই জানিয়ে ছিলেন সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব। 

সকালে দক্ষিণ সুরমার কামাল বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি। 

হাবিবুর রহমান বলেন, ভোটারদের মধ্যে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে তাতে নৌকার বিজয় নিশ্চিত। 

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫২ হাজার ও ভোটকেন্দ্র ১৪৯টি। গত ১১ মার্চ করোনায় এ আসনটির সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়। তফসিল অনুযায়ী গত ২৮ জুলাই এই আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এর দুই দিন আগে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে আদালত। পরবর্তী সময়ে ৪ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে কমিশন।  

সর্বশেষ
জনপ্রিয়