ঢাকা, বুধবার   ২৭ অক্টোবর ২০২১ ||  কার্তিক ১১ ১৪২৮

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গরুর ফার্ম করে শিক্ষিত বেকার ছেলের সফলতা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৫৪, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শেরপুর জেলার শিল্প কারখানা বিহীন ঝিনাইগাতী উপজেলার সিমান্ত কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া বাজারের সন্নিকটে আব্দুল মান্নানের একমাত্র ছেলে ডিগ্রী পাশ করে বেকারত্বর জীবন যাপন করতে হয়েছে।

তার বাবার কোন সম্পদ নেই দু:খ কষ্ট করে ছেলেটিকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। কোন চাকরী না পেয়ে হতাস হয়নি মেধাবি কাইছার মিয়া। তার পিতা মাতাকে একটু সুখে রাখতে ২০১৫ সালে ছোট্র পরিশরে একটি গরু নিয়ে ফার্মের যাত্রা শুরু করেন। এরপর থেকে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

প্রথমে জামালপুরের মাদারগজ্ঞ থেকে টাকা যোগাড় করে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের একটি হলিসট্রিন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু ক্রয় করে লালন পালন শুরু করলে আজ তার ভাগ্য বদল হয়েছে। বর্তমানে তার ফার্মে ১০টি গরু রয়েছে যার মূল্য হবে ১৭ থেকে ১৮ লাখ টাকা । ২টি গাভি দুধ দেয় প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ লিটার।

এছাড়াও প্রতি বছর ১/২টি করে বাছুর বিক্রিও করেন। তার প্রতিদিন খাদ্য বাবদ খরচ হয় ২৫শ থেকে ৩ হাজার টাকা । ফার্মটি পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সহ অন্যান্য কাজ করেন তার বাবা/ মা ও স্ত্রী সকলের সহযোগীতায় কাউছার আলোর মুখ দেখতে পেয়েছে।

এ ব্যাপারে কাউছার মিয়া জানায়, আমি শিক্ষা অর্জণ করেও যখন কিছু করতে পারি নাই তখন খুব খারাপ লাগতো , আজ আমি একটি গরু ক্রয় করে ফার্মের চিন্তা শুরু করলে আজ তা বাস্তবায়িত হয়েছে। এই গরু থেকে যা আয় হয় তা দিয়ে পিতা/মাতা স্ত্রী সহ আমরা সুখেই আছি।

ওই ইউনিয়নের বর্তমান মেম্বার ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহাঙ্গির আলম মিষ্টার সহ অনেকেই বলেন, এক সময় কাউছারের কিছু ছিল না লেখা পড়া শেষ করে সে এই কাজ শুরু করেছে। তার জায়গা জমি কিছুই নেই এখন গরু পালন করে ভালই চলছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: সাদিয়া আফরিন জানান, আমাদের পক্ষ থেকে তাকে সার্বিক সহযোগীতা করা হয়। একটি প্রজেক্ট থেকে বিনামূল্যে মিল্কক্রিম সাফারেটিং মেশিন দেয়া হয়েছে। তার ফার্মটির সর্বক্ষন খোঁজ খবর নেয়া হয় এবং লাভজনক বলে জানান।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়