ঢাকা, শনিবার   ১৫ জুন ২০২৪ ||  জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪৩১

২০৩০ সাল নাগাদ পর্যটন খাতে ৭৩ লাখ কর্মসংস্থান হবে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৪, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

২০৩০ সাল নাগাদ পর্যটন খাতে ৭৩ লাখ কর্মসংস্থান হবে

২০৩০ সাল নাগাদ পর্যটন খাতে ৭৩ লাখ কর্মসংস্থান হবে

বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেছেন, আমরা পর্যটন মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছি। তাতে সমগ্র বাংলাদেশকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা করেছি। আমরা গবেষণা করে দেখেছি, ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ৭২ লাখ ৮৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। মুহাম্মদ জাবের বলেন, পর্যটন এলাকায় সেবার মান ধরে রাখতে একটা আইনি কাঠামো তৈরি করা, পর্যটন গন্তব্যে যাওয়ার পথে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা এমন বিভিন্ন পরামর্শ মাস্টারপ্ল্যানে আমরা দিয়েছি। পর্যটনের বিকাশে অগ্রাধিকার বিষয় হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। সেটা হচ্ছে। আগে কুয়াকাটা যেতে অনেকগুলো ফেরি পার হতে হতো। এখন একটা ফেরিও পার হওয়া লাগে না। পদ্মা সেতু হওয়ার পর খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলে পর্যটনের বিকাশের বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমাদের এভিয়েশন, ট্রান্সপোর্ট সেক্টর, আবাসন সেক্টর, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক সবাই পর্যটনের বিকাশে এগিয়ে আসছে। বিনিয়োগ করছে। এর মাধ্যমে পর্যটন বিকশিত হচ্ছে। প্রাইভেট সেক্টরই এখানে বেশি এগিয়ে আসা দরকার। পর্যটন খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর রেয়াত, আমদানি শুল্ক মওকুফ ও অন্যান্য প্রণোদনা দেওয়ার জন্য মাস্টারপ্ল্যানে সুপারিশ করেছি। তিনি বলেন, আমাদের কিছু জায়গা আন্তর্জাতিক মানের করা দরকার। আটটি অঞ্চলে আমরা ৫৩টি ক্লাস্টার করেছি। তার মধ্যে ১৯টি ক্লাস্টারকে অগ্রাধিকার দিয়ে পাঁচটি ক্লাস্টার দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এগুলো বাস্তবায়ন হলে কিছু জায়গা আন্তর্জাতিক মানের হবে এবং বাংলাদেশ পর্যটনের ক্ষেত্রে একটা ভালো অবস্থানে আসবে। বিদেশি পর্যটক কম আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদেশিদের আসা সহজ করতে ইলেকট্রনিক ভিসা পদ্ধতি চালু করা এবং আমেরিকা, কানাডা, জাপান ও সেনজেন ভিসা যাদের আছে, তারা যাতে বাংলাদেশে বিনা ভিসায় ঢুকতে পারে সেই সুপারিশ করেছি আমরা। সুরক্ষা সেবা বিভাগও একমত হয়েছে। সব মিলিয়ে আমাদের পর্যটন বিকশিত হবে। এখন বিদেশি পর্যটক কম আসছে। এই ঘাটতি পূরণে অন্যান্য দেশের ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে মিটিং করছি। তাদেরকে বাংলাদেশ ঘুরিয়ে দেখাচ্ছি, যাতে তারা বাংলাদেশে পর্যটক নিয়ে আসে। নানাভাবে প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের দেশের বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সুন্দরবন ঘুরিয়ে এনেছি। তারা অভিভূত।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়