ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৬ এপ্রিল ২০২৪ ||  বৈশাখ ২ ১৪৩১

প্রথম রোকন ইমানের পরই নামাজের স্থান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৫৬, ১৬ মার্চ ২০২৩  

প্রথম রোকন ইমানের পরই নামাজের স্থান

প্রথম রোকন ইমানের পরই নামাজের স্থান

ইসলাম ধর্মের রুকন বা স্তম্ভ পাঁচটি। যথা- কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত। এই পঞ্চ স্তম্ভের মধ্যে নামাজ হলো দ্বিতীয়। অর্থাৎ প্রথম রোকন ইমানের পরই নামাজের স্থান।

নামাজ বারো মাসই আদায় করতে হয়। আর রোজা শুধু মাহে রমজানে ফরজ। তবে সারা বছর বিভিন্ন সময়ে নফল রোজা রাখারও বিধান রয়েছে।

একজন মুমিন মুসলমান বছরজুড়ে নামাজ আদায় করবেন- এটাই স্বাভাবিক। এর পর যখন পবিত্র মাহে রমজানের আগমন ঘটবে, তখন নামাজ আদায়ের পাশাপাশি রমজানের রোজাগুলোও পালন করবেন।

একজন রোজাদার শুধু রোজা রাখবেন, নামাজ পড়বেন না, এমনটা কখনো কল্পনা করা যায় না। নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে প্রচুর আলোচনা রয়েছে।

এক হাদিসে এসেছে, বুরাইদা (রা.) বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- مَنْ تَرَكَ صَلاةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ 

অর্থ: ‘যে ব্যক্তি আসরের নামাজ ত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়। (বুখারি  ৫২০)

ইবনুল কায়্যিম তার  এ হাদিসের মর্মার্থ আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ‘বেনামাজি ব্যক্তি দুই ধরণের-

(১) পুরোপুরিভাবে ত্যাগ করা। কোনো নামাজই না পড়া। এ ব্যক্তির সমস্ত আমল বিফলে যাবে।

(২) বিশেষ কোনো দিন বিশেষ কোনো নামাজ ত্যাগ করা। এক্ষেত্রে তার বিশেষ দিনের আমল বিফলে যাবে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে নামাজ ত্যাগ করলে তার সার্বিক আমল বিফলে যাবে। আর বিশেষ নামাজ ত্যাগ করলে বিশেষ আমল বিফলে যাবে।’ (আসসালাত পৃ-৬৫)

সুতরাং নামাজ না পড়ে রোজা রাখলে রোজা আদায় হবে না; এমনটা বলা যাবে না। অনুরূপভাবে সে রোজার সাওয়াব পাচ্ছে; এটা বলাও কঠিন। এজন্য আমরা এমন ব্যক্তিকে বলবো, নামাজ পড়ুন, রোজাও রাখুন।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়