ঢাকা, রোববার   ১৬ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ৩ ১৪৩১

ঘরের মাঠেই হারের তেতো স্বাদ পেলো বার্সেলোনা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৩৩, ২১ মে ২০২৩  

ঘরের মাঠেই হারের তেতো স্বাদ পেলো বার্সেলোনা

ঘরের মাঠেই হারের তেতো স্বাদ পেলো বার্সেলোনা

লা লিগা চ্যাম্পিয়নের বেশে প্রথমবার মাঠে নেমে নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারল না বার্সেলোনা। কাতালান দলটিকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে লিগ টেবিলে সেরা চারে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করল রিয়াল সোসিয়েদাদ।

কাম্প নউয়ে শনিবার (২০ মে) দিবাগত রাতে লা লিগার ম্যাচটি ২-১ গোলে হেরেছে শাভি এর্নান্দেসের দল। মিকেল মেরিনো ও অ্যালেক্সান্দার সরলথের গোলে সফরকারীরা এগিয়ে যাওয়ার পর শেষ দিকে ব্যবধান কমান রবের্ত লেভানদোভস্কি। ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার হাতে তুলে দেওয়া হয় ট্রফি। ম্যাচে জয় না মিললেও ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে শিরোপা উদযাপনে কোনো কমতি ছিল না তাদের।

অষ্টম মিনিটে গোল খেয়ে বসে বার্সেলোনা। যেখানে দায় ছিল তাদের ডিফেন্ডার জুল কুন্দের। মাঝমাঠের কাছে তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ হারালে পেয়ে যান সোসিয়েদাদের সরলথ। এগিয়ে বক্সে ঢুকে তিনি পাস দেন ফাঁকায় থাকা মেরিনোকে। এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের শটে বল গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে জড়ায়।

ষোড়শ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় বার্সেলোনা। লেভানদোভস্কির ক্রসে উসমান দেম্বেলের হেড ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক অ্যালেক্স রেমিরো। ২৭তম মিনিটে রাফিনিয়ার ক্রসে লেভানদোভস্কির হেড উড়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। পাঁচ মিনিট পর মোহাম্মদ আলির প্রচেষ্টা পা দিয়ে ফিরিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি টের স্টেগেন।

চার ম্যাচ বাকি থাকতে লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যাওয়াতেই হয়তো বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে মরিয়া ভাব ততটা দেখা যায়নি। দ্বিতীয়ার্ধেও গোলমুখে কার্যকর হতে পারছিল না তাদের কেউ। ৬৩তম মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনেন কোচ শাভি। রাফিনিয়া ও ফঁক কেসিয়েকে তুলে মাঠে নামান আনসু ফাতি ও ফেররান তরেসকে।

৭১তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে ব্যবধান বাড়িয়ে স্বাগতিকদের ঘুরে দাঁড়ানোর পথ আরও কঠিন করে তোলে সোসিয়েদাদ। সতীর্থের পাস বক্সে পেয়ে এগিয়ে আসা টের স্টেগেনকে পরাস্ত করেন সরলথ। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে একটি গোল শোধ করে নাটকীয় কিছুর আভাস দেন লেভানদোভস্কি। তরেসের ক্রসে হেডে গোলটি করেন পোলিশ তারকা। আসরে লেভানদোভস্কির গোল হলো ২২টি। সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার পিচিচি ট্রফি জয়ের লড়াইয়ে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি। ১৭ গোল নিয়ে তার পরে আছেন রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা।

পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ে তেমন কিছু আর করে দেখাতে পারেনি শাভির দল। এই মৌসুমে লিগে এটি তাদের চতুর্থ হার, ঘরের মাঠে প্রথম। ৩৫ ম্যাচে ২৭ জয় ও ৪ ড্রয়ে ৮৫ পয়েন্ট বার্সেলোনার। এক ম্যাচ কম খেলে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। তাদের সমান ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আতলেতিকো মাদ্রিদ। ৩৫ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে রিয়াল সোসিয়েদাদ। পাঁচ নম্বরে থাকা ভিয়ারিয়ালের চেয়ে তারা এগিয়ে আছে ৫ পয়েন্টে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়